Measuring Tools | Folding Rule | End Rule | Hook Rule | Feeler Gauge

 Measuring Tools | Folding Rule | End Rule | Hook Rule | Feeler Gauge 

পরিমাপ যন্ত্র বা মেজারিং টুলস (Measuring Tools )

মেজারিং টুলস : 


যে সকল টুল বা হাতিয়ার দ্বারা কোনো বস্তুর, জবের বা ওয়ার্কপিসের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, উচ্চতা, গভীরতা, ভর, ওজন, গতি, চাপ, তাপ, ইত্যাদি মাপা যায় তাদেরকে মেজারিং টুলস বা মাপন যন্ত্র বলা হয়। ওয়ার্কশপ বা কারখানায় মাপ প্রণালী সমূহের মধ্যে মেজারিং রুল দিয়ে মাপা প্রাচীনতম। এটি একটি প্রত্যক্ষ সরল মাপক যন্ত্র । ধাতু, কাঠ বা কাপড় দিয়ে তৈরি হয় এবং অনেক প্রকার গঠন ও আকৃতি বিশিষ্ট হয়ে থাকে। মেজারিং টুলের মাপ দশমিক ভগ্নাংশে ও সাধারণ ভগ্নাংশে হয়ে থাকে। একক হিসেবে মিটার বা ফুট এবং এদের ভগ্নাংশে পাওয়া যায়।

মেজারিং টুলস এর শ্রেণিবিভাগ :  

মেজারিং টুলস প্রধানতঃ দুই প্রকার, যথাঃ নন-ফ্লেকসিবল মেজারিং টুলস (Non-flexible measuring tools ) : যেমন- স্টিল রুল, উড রুল, ফিলেট রুল, কী-সেট রুল, ইত্যাদি।


অন্য পোষ্ট : sewage cleanup | Primary Treatment | Inspection pit, concrete septic tank

 * ফ্লেকসিবল মেজারিং টুলস (flexible measuring tools ) : 

যেমন- স্টিল টেপ রুল, লিনেন টেপ রুল, মেজারিং টেপ, ইত্যাদি।

আবার, মেজারিং টুলের ব্যবহার ও গঠন অনুসারে সেগুলোকে একাধিক ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন

১) প্লেইন স্টিল রুল ( Plain Steel Rule)

২) ফোল্ডিং রুল ( Folding Rule)

 ৩) বক্স উড রুল (Box wood Rule)

8) স্টিল টেপ রুল ( Steel Tape Rule)

৫) এন্ড রুল (End Rule)

৬) হুক রুল (Hook Rule)

৭) কী-সিট রুল ( Key Seat Rule) 

৮) ডেপথ রুল (Depth Rule)

৯) লিনেন টেপ রুল ( Linen Tape Rule) ইত্যাদি


বিভিন্ন প্রকার মেজারিং টুলের সাহায্যে পরিমাপন পদ্ধতি ও তাদের ব্যবহারঃ

প্লেইন স্টিল রুলঃ মেশিন শপে জব তৈরিতে বিভিন্ন মাপ গ্রহণে সবচেয়ে সরল ও সাধারণ মাপ যন্ত্র হলো প্লেইন স্টিল রুল বা সংক্ষেপে ইহাকে স্টিল রুল বলা হয়। এটি সাধারণত ১৫ সে.মি. এবং ৩০ সে.মি. লম্বা হয়। এতে সর্বনিম্ন ০.৫ মি.মি. মাপ নেওয়া যায়। এটি স্টেইনলেস স্টিলের তৈরি হয় এবং এর সাহায্যে জবের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, বেধ এবং উচ্চতার মাপ সরাসরি গ্রহণ করা যায়। অনেক সময় স্টিল রুল মার্কিং বা লেআউট করার সময় লাইন টানার কাজে ব্যবহার করা হয়। ইহা ছাড়া ক্যালিপার্স, ডিভাইডার, হারমাফ্রোডাইট ক্যালিপার্স ইত্যাদি যন্ত্রের সাহায্যে মাপ গ্রহণেও ব্যবহার করা হয়।


পরীক্ষণ ও পরিমাপকরণ (Inspection and Measurement)

 পরীক্ষণ ও পরিমাপকরণ : 

পরীক্ষা (Inspection) ঃ কার্যবস্তুর বাস্তব মাপকে পূর্ব নির্ধারিত মাপের সাথে তুলনা করাকে পরীক্ষণ বলে। যেমন- প্লাগ গেজের সাহায্যে কোনো ছিদ্রের ব্যাস পরীক্ষা করা। পরীক্ষণের সাহায্যে কার্যবস্তুটি গ্রহণযোগ্য সীমার মধ্যে আছে কী না তা জানা যায়।


অন্য পোষ্ট : underground water line | surface water definition | coagulation, chlorination

পরিমাপকরণ (Measurement) : 

কোনো কার্যবস্তুর বা ওয়ার্কপিসের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, ব্যাস, উচ্চতা গভীরতা মেজারিং টুলের সাহায্যে সরাসরি মেপে নেওয়াকে পরিমাপকরণ বলা হয়। যেমন- ভার্নিয়ার বা ক্যালিপার এর সাহায্যে একটি শ্যাফটের বাহিরের ব্যাস নির্ণয় করাকে পরিমাপকরণ বলা যায়।

সচরাচর ব্যবহৃত পরীক্ষণ ও পরিমাপক যন্ত্রপাতিসমূহঃ

(১) আউটসাইড মাইক্রোমিটার (Outside Micrometer)

২/ ইনসাইড মাইক্রোমিটার (Inside Micrometer)

 ৩/ডেপথ মাইক্রোমিটার (Depth Micrometer)

৪/ ভার্নিয়ার ক্যালিপার্স (Vernier Calipers)

৫/ ভার্নিয়ার হাইট গেজ (Vernier Height Gauge )

৬/ স্টিল রুল (Steel Rule)

৭/ ইনসাইড ক্যালিপার্স (Inside Calipers)

৮/  আউটসাইড ক্যালিপার্স (Outside Calipers) Gauge)

৯/ টেলিস্কোপিক গেজ (Teliscopic 

১০/ ফিলার গেজ (Feeler Gauge)

১১/  ভার্নিয়ার বিভেল প্রোট্র্যাক্টর (Vernier Bevel Protractor) 

১২/  ট্রাই-স্কয়ার (Tri-Square)

১৩/  কম্বিনেশন সেট (Combination Set) 

১৪/  স্কয়্যার হেড (Square Head)

১৫/  সেন্টার হেড (Center Head)

১৬/ প্লাগ গেজ (Plug Gauge ) 

১৭/ স্লিপ গেজ (Slip Gauge )

১৮/ -পিচ গেজ (Screw Pitch Gauge)

১৯/ ডায়াল ইন্ডিকেটর (Dial Indicator)


পরিমাপের প্রকারভেদঃ 

পরিমাপের পদ্ধতি অনুসারে পরিমাপ দুই প্রকার, যথা


১/  প্রত্যক্ষ পরিমাপ (Direct Measurement) ৪ কার্যবস্তুর মাপ সরাসরি পরিমাপ করার পদ্ধতিকে প্রত্যক্ষ পরিমাপ বলা হয়। যে সব মেজারিং টুলস দিয়ে প্রত্যক্ষ পরিমাপ করা যায় সেগুলো হলো- স্টিল রুল, ভার্নিয়ার ক্যালিপার্স, মাইক্রোমিটার, ইত্যাদি।

অন্য পোষ্ট : manhole | Drop Manhole | Catch basin | Siphon Spillway

২. পরোক্ষ পরিমাপ (Indirect Measurement) : 

যে পরিমাপ পদ্ধতিতে সরাসরি মাপ গ্রহণ করা যায় না, অন্য কোনো পরোক্ষ মেজারিং টুলস দিয়ে প্রথমে মাপ নিয়ে পরে প্রত্যক্ষ মেজারিং টুলস দিয়ে সেই মাপ যাচাই করে পরিমাপ করা হয়, সেই পরিমাপ পদ্ধতিকে পরোক্ষ পরিমাপ বলা হয়। কতিপয় পরোক্ষ পরিমাপক টুলসগুলো হলো- ইনসাইড ক্যালিপার্স, আউটসাইড ক্যালিপার্স, টেলিস্কোপিক

গেজ, ব্লক গেজ, ইত্যাদি। পরিমাপের সূক্ষ্মতা অনুসারে পরিমাপকে আরও দুই ভাগে ভাগ করা যায়, যথা


(১) সূক্ষ্ম পরিমাপ (Precision Measurement) : 

ব্রিটিশ প্রণালিতে রৈখিক পরিমাপের ক্ষেত্রে ০.০০১

ইঞ্চি থেকে শুরু করে এর চাইতে সকল ক্ষুদ্র পরিমাপকে সূক্ষ্ম পরিমাপ ধরা হয়।


(২) অসূক্ষ্ম পরিমাপ (Non-Precision Measurement) :

 ব্রিটিশ প্রণালিতে রৈখিক পরিমাপের ক্ষেত্রে ০.০০১ ইঞ্চি অপেক্ষা সকল স্থুল পরিমাপকে অসূক্ষ্ম পরিমাপ ধরা হয়।


পরিমাপ যন্ত্র বা মেজারিং টুলস

সূক্ষ্মতা মাত্রার ভিত্তিতে পরিমাপের শ্রেণিবিভাগ : 

সরল এবং কৌণিক মাপের সূক্ষ্মতার উপর ভিত্তি করে পরিমাপের সূক্ষ্মতার মাত্রা নির্ধারিত হয় এবং সূক্ষ্মতার পরিমাপ উল্লেখসহ সূক্ষ্মতা মাত্রার ভিত্তিতে পরিমাপের শ্রেণিবিভাগ নিম্নের ছকে দেওয়া হলো

Measuring Tools | Folding Rule | End Rule | Hook Rule | Feeler Gauge

 পরীক্ষণ ও পরিমাপকরণ যন্ত্রাদির যত্ন ও রক্ষণাবেক্ষণ : 

পরীক্ষণ ও পরিমাপকরণ যন্ত্রাদি ব্যবহার করার পর ভালোভাবে পরিষ্কার করে তৈল বা গ্রিজ লাগিয়ে নির্দিষ্ট বাক্সে বা সেলফে বা আলমারিতে সুন্দরভাবে গুছিয়ে রাখতে হবে যাতে কাজের সময় খুঁজতে সহজ হয়। দীর্ঘ দিন ব্যবহার করা না হলেও মাঝে মাঝে পরিষ্কার করে পুনরায় তৈল বা গ্রিজ দিয়ে যত্ন করে পূর্বের জায়গায় রেখে দিতে হবে। কোনক্রমেই মরিচা পড়তে দেওয়া যাবে না। মরিচা পড়লে পরীক্ষণ ও পরিমাপকরণ যন্ত্রাদির সূক্ষ্মতা নষ্ট হয়ে যায় এবং সঠিকভাবে কাজে ব্যবহার করা যায় না। তাই প্রত্যেক পরীক্ষণ ও পরিমাপকরণ যন্ত্র ব্যবহারের আগে ও পরে ওয়েস্ট কটন দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। ব্যবহার শেষে পরিষ্কার করে শ্রেণি ভিত্তিতে তৈল বা গ্রিজ লাগিয়ে নির্দিষ্ট বাক্সে রেখে দিতে হবে। মেশিন চলন্ত অবস্থায় ঘুরন্ত কার্যবস্তুর মাপ গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। পরীক্ষণ ও পরিমাপকরণ যন্ত্রাদি কাটিং টুলের সাথে ও কোনো রাফ সারফেসের সংস্পর্শে রাখা যাবে না।


Measuring Tools | Folding Rule | End Rule | Hook Rule | Feeler Gauge 


হস্ত চালিত যন্ত্রাদি (Hand Tools)

 হয় চালিত যন্ত্র (Hand Tool): 

মেশিনশপে বা ওয়ার্কশপে যে সকল যন্ত্রাদি মানুষের শারীরিক শক্তির সাহায্যে পরিচালিত হয়ে ওয়ার্কশপের


সাধারণ কাজ অথবা অন্য বস্ত্রের সাহায্যকারী হিসেবে ব্যবহৃত হয় তাদেরকে যত চালিত যন্ত্র বা হ্যান্ড টুলস বলা হয়। এ সকল টুলস পরিচালনা করতে যান্ত্রিক শক্তির প্রয়োজন হয় না এবং এ গুলো ওজনে হালকা ও দামে সস্তা হয়। তবে এই ধরনের টুলসের কর্মপরিধি বিস্তৃত হলেও কর্মদক্ষতা সীমিত। প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থী বা কারিগরকে হ্যান্ড টুলসের ব্যবহার ভালোভাবে আয়ত্ব করতে হয়। যেখানে যে টুল ব্যবহার করা উচিত সেখানে কেবল তাই ব্যবহার করতে হবে। তা না হলে ভালো কাজ শেখা বা উন্নত মানের দক্ষতায় কাজ করা কখনও সম্ভব নয়। হস্ত চালিত যন্ত্রাদি বিভিন্ন প্রকার ও গঠনের হয়। যেমন- হাতুড়ি, ফাইল, হ্যাক-স, ক্রু-ড্রাইভার, রেঞ্চ বা স্পেনার, ট্যাপ রেঞ্চ, ভাই স্টক, ড্রিল চাক, চাক কী, নাম্বার পাঞ্চ, লেটার পাঞ্চ, পিন পাঞ্চ, ড্রিফট পাঞ্চ, ফ্লু একস্ট্রাক্টর, ট্যাপ একস্ট্রাক্টর, চিজেন্স, প্লায়ার, ভাইস, ইত্যাদি।


অন্য পোষ্ট : Gratings | Antisiphonage | Cowl | what is a soil pipe

সচরাচর ব্যবহৃত হত চালিত যন্ত্রাদি ও তাদের বিভিন্ন অংশ


তুড়ি (Hammer) হাতুড়ি অতি প্রাচীনতম একটি হ্যান্ড টুল। সভ্যতার উষালগ্ন থেকেই হাতুড়ির ব্যবহার চলে আসছে এবং ক্রমোন্নতি লাভ করে গঠন বৈচিত্র আনয়নের মাধ্যমে বহুবিধ কাজে আজও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। মূলত যে টুলের সাহায্যে আঘাত করে রকমারি কাজ সম্পাদন করা হয় তাকে হাতুড়ি বা জ্যামার বলা হয়।

গঠন ও ব্যবহার অনুযায়ী হাতুড়ি অনেক প্রকার হয়। এগুলোর মধ্যে মেশিনশপ বা শিল্প কারখানায় যেসব হাতুড়ি ব্যবহৃত হয় সেগুলো হলো

১. ইঞ্জিনিয়ার্স হ্যামার (Engineer's Hammer) 

(ক) বল-পিন হ্যামার (Ball-peen Hammer)

(খ) স্ট্রেইট পিন হ্যামার (Straight-peen Hammer)

১. ক্রস পিন হ্যামার (Cross-peen Hammer)

২. সফট হ্যামার (Soft Hammer) 

৩. রিভেটিং হ্যামার (Riveting Hammer)

৪. জে হ্যামার (Sledge Hammer)

৫.ক্ল হ্যামার - (Claw Hammer)


Measuring Tools | Folding Rule | End Rule | Hook Rule | Feeler Gauge 

হস্ত চালিত যন্ত্রাদির রক্ষণাবেক্ষণ :

নিম্নে হস্ত চালিত যন্ত্রাদির রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি আলোচনা করা হলোঃ

(১) প্রত্যেক টুলসকে উহার জন্য নির্দিষ্ট কাজে ব্যবহার করতে হবে। যেমন- ক্রু ড্রাইভারের সাহায্যে পাঞ্চের কাজ, রেঞ্চের সাহায্যে হাতুড়ির কাজ ইত্যাদি না করা।

(২) টুলস এর সাহায্যে কাজ করার সময় এর উপর অতিরিক্ত জোর বা চাপ প্রয়োগ করে কাজ না করা। (৩) ব্যবহারের পর প্রতিটি টুলসকে ময়লা ও চিপস মুক্ত করে এর জন্য নির্ধারিত নির্দিষ্ট জায়গায় সংরক্ষণ করা।

(৪) প্রত্যেক টুলসকে সব সময় পৃথক পৃথক ভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। 

(৫) ফাইল দ্বারা কাজ করার পর ফাইলকে কার্ড দ্বারা সুন্দরভাবে পরিষ্কার করে তারপর আলাদাভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।

(৬) ভাইস, রেঞ্চ, র‍্যাচেট ক্রু- ড্রাইভার প্রভৃতি মাঝে মাঝে পরিষ্কার করে উহার চলনশীল অংশসমূহের সংযোগস্থলে তৈল অথবা গ্রিজ দিতে হবে।

(৭) সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য নির্ধারিত মাপের উপযুক্ত হ্যান্ড টুলস ছাড়া অন্য টুলস ব্যবহার না করা। যেমন- বড় স্ক্রু ড্রাইভারের কাজ ছোট ক্রু ড্রাইভারের সাহায্যে না করা। নাট বা বোল্টকে টাইট দেওয়া বা ঢিলা করার সময় সঠিক মাপের রেঞ্চ না ব্যবহার করে বড় সাইজের রেঞ্চ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকা।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url